সাহিত্যের পাতা থেকে ।

স্যার টমাস ওয়ায়াট (১৫০৩–১৫৪২) ইংরেজি সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। তিনি পেট্রার্কের ইতালীয় সনেটকে ইংরেজিতে রূপান্তরিত করেন এবং প্রেম, আদালতের ষড়যন্ত্র, অপ্রাপ্ত প্রেম ও জীবনের অস্থিরতা নিয়ে অসাধারণ কবিতা লেখেন। তাঁর অনেক কবিতায় অ্যান বোলিনের প্রতি গোপন অনুরাগের ছায়া পাওয়া যায়।

১. যে শিকার করতে চায় (Whoso List to Hunt)

যে শিকার করতে চায়, আমি জানি কোথায় আছে এক হরিণী,
কিন্তু আমি আর পারি না, হায়! আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।
এই বৃথা পরিশ্রম আমাকে এতটাই ক্লান্ত করে দিয়েছে,
যে আমি সবার পেছনে পড়ে গেছি সবচেয়ে দূরে।

তবু আমার ক্লান্ত মনকে সেই হরিণীর কাছ থেকে সরাতে পারি না,
সে যতই পালিয়ে যাক, আমি অজ্ঞান হয়ে তাকে অনুসরণ করি।
তাই আমি থেমে যাই — কারণ বাতাসকে জালে ধরার চেষ্টা করি।
যে তাকে শিকার করতে চায়, সে নিশ্চিত জেনে রাখুক —

আমার মতোই তার সময় বৃথা যাবে।
তার সুন্দর গলায় হীরায় খোদাই করা আছে স্পষ্ট অক্ষরে:
“আমাকে স্পর্শ করো না, আমি সিজারের।”
যদিও দেখতে নম্র, কিন্তু ধরা অসম্ভব।

২. তারা আমাকে ছেড়ে পালায় (They Flee from Me)

যারা একসময় আমাকে খুঁজত, তারা এখন আমাকে ছেড়ে পালায়,
নগ্ন পায়ে আমার ঘরে এসে ঘুরে বেড়াত।
আমি দেখেছি তাদের নম্র, শান্ত ও বশীভূত,
এখন তারা বন্য হয়ে গেছে, আর মনে রাখে না —

যে তারা একসময় বিপদ জেনেও আমার হাত থেকে রুটি নিত।
এখন তারা অস্থির হয়ে নতুন নতুন খোঁজে ঘুরে বেড়ায়।

ভাগ্যকে ধন্যবাদ, একসময় অনেক ভালো ছিল —
বিশেষ করে একবার, যখন সে পাতলা পোশাকে, মৃদু হাসিতে
কাঁধ থেকে ঢিলা জামা খুলে ফেলে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল।
তার লম্বা, সরু বাহুতে আমাকে আঁকড়ে ধরে মিষ্টি করে চুমু খেয়ে বলেছিল,
“প্রিয় হৃদয়, এটা কেমন লাগছে?”

এটা স্বপ্ন ছিল না — আমি জেগে ছিলাম।
কিন্তু আমার নম্রতার কারণে সবকিছু উল্টে গেছে।
এখন সে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে, আর আমিও তার কাছ থেকে মুক্ত।
কিন্তু যেভাবে আমাকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে,
তাতে সে কী পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য?

৩. জাগো, আমার বীণা (My Lute, Awake!)

জাগো, আমার বীণা! শেষ শ্রমটুকু সম্পন্ন করো,
যা তুমি আর আমি একসঙ্গে নষ্ট করব।
যে গান শুরু করেছি, তা শেষ করো।
যখন এই গান শেষ হয়ে যাবে, তখন চুপ করে যাও — আমি শেষ।

পাথরে সীসা দিয়ে খোদাই করার মতো কঠিন,
যেখানে কোনো কান নেই, সেখানে গান শোনানোর মতোই বৃথা
তার হৃদয়ে আমার গান পৌঁছানো।
তাই আর দীর্ঘশ্বাস ফেলব না, গান গাইব না —
না, না, বীণা, আমি শেষ।

পাথর যেভাবে ঢেউকে বারবার প্রত্যাখ্যান করে,
ঠিক তেমনই সে আমার অনুরোধ ও ভালোবাসা প্রত্যাখ্যান করে।
আমি এখন আরোগ্যের বাইরে —
তাই বীণা আর আমি শেষ।

৪. দীর্ঘ প্রেম যা আমার চিন্তায় বাস করে (The Long Love)

দীর্ঘ প্রেম যা আমার চিন্তায় আশ্রয় নিয়েছে,
আমার হৃদয়ে তার বাসস্থান গড়েছে।
সে সাহস করে আমার মুখে উঠে আসে,
সেখানে শিবির স্থাপন করে তার পতাকা উড়ায়।

যে নারী আমাকে ভালোবাসতে ও কষ্ট সহ্য করতে শেখায়,
যে চায় আমার আস্থা ও আকাঙ্ক্ষা যুক্তি, লজ্জা ও সম্মান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হোক —
তার কঠোরতায় সে অসন্তুষ্ট হয়।
তাই সে হৃদয়ের অরণ্যে পালিয়ে যায়,

ব্যথা ও কান্না রেখে তার অভিযান শেষ করে।
সেখানে সে লুকিয়ে থাকে, আর প্রকাশ পায় না।
যখন আমার প্রভু ভয় পায়, তখন আমি কী করব?
তার সঙ্গে মাঠে থেকে বাঁচব বা মরব —

কারণ বিশ্বস্তভাবে শেষ হওয়াই জীবনের সবচেয়ে ভালো।

৫. এখনো ভুলো না (Forget Not Yet)

এখনো ভুলো না সেই সত্য প্রচেষ্টা,
যা আমি তোমার জন্য করেছি সততার সঙ্গে।
আমার এত বড় পরিশ্রম যে আনন্দের সঙ্গে ব্যয় করেছি —
এখনো ভুলো না।

এখনো ভুলো না, যখন প্রথম শুরু হয়েছিল
এই ক্লান্ত জীবন, যা তুমি জানো।
সেই অনুরোধ, সেই সেবা — কেউ বলতে পারবে না —
এখনো ভুলো না।

৬. বিদায়, প্রেম (Farewell, Love)

বিদায়, প্রেম, তোমার সব আইন চিরতরে বিদায়।
তোমার বিষাক্ত বড়শি আর আমাকে জড়াবে না।
সেনেকা ও প্লেটো আমাকে তোমার শিক্ষা থেকে ডেকে নিয়ে যায়,
যাতে আমি আমার বুদ্ধি দিয়ে প্রকৃত সম্পদ অর্জন করি।

যখন আমি অন্ধ ভুলের মধ্যে ছিলাম,
তোমার তীক্ষ্ণ প্রত্যাখ্যান আমাকে এত কষ্ট দিয়েছে,
যে আমি শিখেছি তুচ্ছ জিনিসে মন না দেওয়া।
তাই বিদায় — তুমি আর আমার ওপর কর্তৃত্ব দাবি করো না।

৭. আমি শান্তি পাই না (I Find No Peace)

আমি শান্তি পাই না, আর আমার যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।
আমি ভয় পাই এবং আশা করি। জ্বলি এবং বরফের মতো জমে যাই।
বাতাসের ওপরে উড়ি, তবু উঠতে পারি না।
কিছুই নেই আমার, অথচ সমগ্র পৃথিবীকে আঁকড়ে ধরি।

৮. আমার জাহাজ (My Galley)

আমার জাহাজ বিস্মৃতিতে ভরা,
তীক্ষ্ণ সমুদ্রে শীতের রাতে চলছে পাথরের মাঝ দিয়ে।
আমার শত্রু, হায়, যে আমার প্রভু, নিষ্ঠুরভাবে চালাচ্ছে।
প্রতিটি দাঁড় একটি করে চিন্তা।

৯. সত্যের কী মূল্য? (What Vaileth Truth?)

সত্যের কী মূল্য, বা তার জন্য কষ্ট করার?
যখন চতুরতা রাজত্ব করে, তখন মিথ্যাবাদী ও সৎ — দুজনেই সমান পুরস্কৃত হয়।
সবচেয়ে দ্রুত এগোয় যে সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলতে ও ভান করতে পারে।
সত্যিকারের হৃদয়কে অবজ্ঞা করা হয়।

১০. ম্যাডাম, অনেক কথা ছাড়াই (Madam, withouten Many Words)

ম্যাডাম, অনেক কথা ছাড়াই —
আমি নিশ্চিত, তুমি হ্যাঁ বলবে বা না।
যদি হ্যাঁ বলো, তবে তোমার খেলা ছেড়ে দাও,
এবং তোমার বুদ্ধি দেখাও।

যদি হ্যাঁ হয়, আমি আনন্দিত হব।
যদি না হয় — আগের মতোই বন্ধু থাকব।
তুমি অন্য একজনকে পাবে,
আর আমি আমার নিজের হয়ে যাব।

স্যার টমাস ওয়ায়াট (১৫০৩–১৫৪২)

স্যার টমাস ওয়ায়াট ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি ইংরেজিতে প্রথম সনেট লেখেন, পেট্রার্কের ইতালীয় কবিতাকে ইংরেজি ভাষায় রূপান্তরিত করেন এবং প্রেম, আদালতের মিথ্যাচার, অপ্রাপ্ত ভালোবাসা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে অসাধারণ কবিতা রচনা করেন। হেনরি অষ্টমের টিউডর আদালতের একজন দক্ষ দূত ও কবি হিসেবে তাঁর জীবন ছিল রোমাঞ্চকর, বিপজ্জনক ও সৃজনশীলতায় ভরপুর।

জন্ম ও পরিবার (১৫০৩)

টমাস ওয়ায়াট জন্মগ্রহণ করেন ১৫০৩ সালে কেন্টের অ্যালিংটন ক্যাসেলে। তাঁর পিতা স্যার হেনরি ওয়ায়াট ছিলেন হেনরি সপ্তম ও হেনরি অষ্টমের বিশ্বস্ত উপদেষ্টা ও প্রিভি কাউন্সিলর। পরিবারটি ইয়র্কশায়ারের বাসিন্দা ছিল এবং ওয়ার্স অফ দ্য রোজেস-এ ল্যাঙ্কাস্ট্রিয়ান পক্ষ সমর্থন করেছিল। পিতা রিচার্ড তৃতীয়ের সময় কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

মা অ্যান স্কিনার। টমাসের এক ভাই (শৈশবে মারা যান) এবং এক বোন মার্গারেট ছিল।

শিক্ষা ও প্রাথমিক জীবন

টমাস ১৫১৫ সালে কেমব্রিজের সেন্ট জনস কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন। সেখানে তিনি ক্লাসিক্যাল সাহিত্য, ল্যাটিন, ইতালীয় ভাষা ও মানবতাবাদী শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন। অল্প বয়সেই তিনি হেনরি অষ্টমের আদালতে প্রবেশ করেন — প্রথমে ‘সিওয়ার এক্সট্রাঅর্ডিনারি’ হিসেবে।

আদালতের জীবন ও উত্থান

হেনরি অষ্টমের দরবারে ওয়ায়াট দ্রুত প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি জাস্টিং (অশ্বারোহী যুদ্ধকৌশল), কূটনীতি ও কবিতায় সমান দক্ষ ছিলেন। ১৫২৮–১৫৩০ সালে তিনি ক্যালাইসের হাই মার্শাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৫৩৫ সালে তিনি নাইট উপাধি লাভ করেন এবং ১৫৩৬ সালে কেন্টের হাই শেরিফ নিযুক্ত হন।

তাঁর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন থমাস ক্রমওয়েল। ক্রমওয়েলের পতনের পর (১৫৪০) ওয়ায়াটও রাজনৈতিক ঝুঁকিতে পড়েন।

কূটনৈতিক মিশন

ওয়ায়াট ছিলেন একজন দক্ষ কূটনীতিবিদ। ১৫২৬–১৭ সালে তিনি স্যার জন রাসেলের সঙ্গে রোমে যান পোপ ক্লেমেন্ট সপ্তমের কাছে হেনরি অষ্টমের বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানাতে। রোমের অবরোধ ও লুটপাটের সময় (Sack of Rome, ১৫২৭) তিনি বন্দি হন কিন্তু পালিয়ে আসেন।

১৫৩৭–১৫৩৯ সালে তিনি স্পেনে সম্রাট চার্লস পঞ্চমের দরবারে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেন। এ সময় তিনি রাজনৈতিক চাপ ও অভিযোগের মুখে পড়েন, কিন্তু ক্রমওয়েলের সমর্থনে রক্ষা পান।

সাহিত্যকর্ম — ইংরেজি সনেটের জন্ম

ওয়ায়াট ইংরেজি সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। তিনি পেট্রার্কের ১৪-লাইনের সনেটকে ইংরেজিতে অনুবাদ ও অভিযোজিত করেন। তাঁর সনেটে অক্টেভ (abba abba) পেট্রার্কীয় ছন্দ ব্যবহার করা হলেও সেসটেটে ইংরেজি কাপলেট (cddc ee) যোগ করেন — যা পরবর্তীকালে শেকসপিয়রীয় সনেটের ভিত্তি হয়।

তাঁর বিখ্যাত কবিতাগুলো:

  • Whoso List to Hunt (হরিণী শিকারের রূপক — সম্ভবত অ্যান বোলিনকে নির্দেশ করে)
  • They Flee from Me
  • My Lute, Awake!
  • The Long Love that in my Thought Doth Harbour
  • Forget Not Yet
  • I Find No Peace

তাঁর কবিতায় প্রেমের ব্যথা, আদালতের মিথ্যাচার, নারীর অস্থিরতা ও রাজনৈতিক হতাশা গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতাগুলো মূলত পাণ্ডুলিপিতে ছড়িয়ে পড়ে; ১৫৫৭ সালে Tottel’s Miscellany-তে ৯৬টি কবিতা তাঁর নামে প্রকাশিত হয়।

ব্যক্তিগত জীবন ও অ্যান বোলিনের সঙ্গে সম্পর্কের গুজব

১৫২০ সালে ওয়ায়াট এলিজাবেথ ব্রুককে বিয়ে করেন। তাঁদের এক পুত্র স্যার টমাস ওয়ায়াট দ্য ইয়াঙ্গার (যিনি পরে মেরি প্রথমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন)। বিয়ে শীঘ্রই ভেঙে যায় (স্ত্রীর অবিশ্বাসের অভিযোগে)।

তিনি পরে এলিজাবেথ ড্যারেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান, যাঁর তিনটি পুত্রসন্তান ছিল।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় — অ্যান বোলিনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুজব। ১৫২০-এর দশকে অ্যান বোলিনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন ওয়ায়াট অ্যানের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিলেন। তাঁর কবিতায় “Anna” নামের উল্লেখ এবং “Noli me tangere, for Caesar’s I am” (আমাকে স্পর্শ করো না, আমি সিজারের) — এই লাইনটি অ্যান বোলিন ও হেনরি অষ্টমের সম্পর্কের ইঙ্গিত বলে বিবেচিত হয়।

কারাবাস ও রাজনৈতিক ঝামেলা (১৫৩৬)

১৫৩৬ সালের মে মাসে অ্যান বোলিনকে গ্রেপ্তারের পর ওয়ায়াটকেও টাওয়ার অব লন্ডনে বন্দি করা হয় অ্যাডাল্টারির অভিযোগে। তিনি প্রায় এক মাস কারাবন্দি ছিলেন। সম্ভবত তিনি তাঁর ঘরের জানালা দিয়ে অ্যান বোলিন ও তাঁর অভিযুক্ত প্রেমিকদের মৃত্যুদণ্ড দেখেছিলেন — যা তাঁর কবিতায় গভীর প্রভাব ফেলে।

ক্রমওয়েলের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান। ১৫৪১ সালেও তিনি আবার কারাবন্দি হন (ক্রমওয়েলের পতনের পর), কিন্তু অভিযোগ থেকে খালাস পান।

শেষ জীবন ও মৃত্যু

১৫৪০ সালে তিনি বিলুপ্ত বক্সলে অ্যাবির সম্পত্তি লাভ করেন। ১৫৪১ সালে কারামুক্তির পর তিনি আবার রাজকীয় অনুগ্রহ ফিরে পান।

১৫৪২ সালের অক্টোবরে ডরসেটের ক্লিফটন মেব্যাঙ্কে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান (মাত্র ৩৮–৩৯ বছর বয়সে)। তাঁকে শেরবোর্ন অ্যাবেতে সমাহিত করা হয়।

উত্তরাধিকার

ওয়ায়াটের মৃত্যুর ১৫ বছর পর Tottel’s Miscellany (১৫৫৭)-এ তাঁর কবিতা প্রকাশিত হলে তিনি ইংরেজি কবিতার জগতে স্থায়ী স্থান করে নেন। তিনি ইংরেজি ভাষাকে আরও পরিশীলিত, সংক্ষিপ্ত ও আধুনিক করেন। তাঁর সনেটের ধরন পরবর্তীকালে সারে, শেকসপিয়র ও অন্যান্যদের প্রভাবিত করে।

আধুনিক সমালোচকরা তাঁকে “ইংরেজি কবিতার জনক” বলে সম্মান জানান। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত আবেগ, রাজনৈতিক তিক্ততা ও মানবিক দুর্বলতার যে গভীরতা আছে, তা টিউডর যুগের সাহিত্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

তাঁর পুত্র টমাস ওয়ায়াট দ্য ইয়াঙ্গার ১৫৫৪ সালে মেরি প্রথমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।

Leave a Comment