লেখা পোস্ট করার জন্য ।

Note :- ধর্ম এবং রাজনৈতিক বিষয়ক, ধর্মগুরু, রাজ-নেতাকে উদ্দেশ্য করে স্বপক্ষে, পক্ষে লেখা অথবা কোনো প্রতিষ্ঠান, কোনো দেশের সরকার, কোনো ব্যক্তি বিশেষ এর বিরুদ্ধে ঘৃণা, অপপ্রচারমূলক, আইনবিরোধী লেখা পোস্ট করা যাবে না ।
প্রকাশিত কোনো লেখায় তথ্যগত ত্রুটি, অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, মানহানিকর বক্তব্য, কপিরাইট বা মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন, গোপনীয়তা ভঙ্গ, ধর্মীয় বা সামাজিক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, আইনবিরোধী উপাদান অথবা অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে—এমন কোনো বিষয় পরিলক্ষিত হলে তার সম্পূর্ণ ও একক দায়- দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট লেখককে গ্রহণ করতে হবে । আমাদের পত্রিকায় প্রকাশিত সকল প্রবন্ধ, নিবন্ধ, মতামত, গবেষণাধর্মী লেখা, প্রতিবেদন, মন্তব্য ও অন্যান্য রচনার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত, তথ্য, গবেষণা ও উপস্থাপনার উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়। পত্রিকা কর্তৃপক্ষ প্রকাশের পূর্বে এসব লেখার তথ্য, দাবি, উদ্ধৃতি, পরিসংখ্যান, গবেষণালব্ধ ফলাফল বা অন্যান্য উপাদানের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা কিংবা সম্পূর্ণতা যাচাই করার কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা গ্রহণ করে না। লেখকগণ তাঁদের রচনার মৌলিকতা, তথ্যগত নির্ভুলতা, উদ্ধৃতির বৈধতা, কপিরাইট-সংক্রান্ত অনুমতি এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতি পূর্ণ সম্মতি ও দায় স্বীকার করে লেখা জমা দিচ্ছেন বলে গণ্য হবে। পত্রিকা কর্তৃপক্ষ যে কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংশোধন, স্থগিত বা অপসারণ করার পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে।
আমি এখানে আগে নিয়মিত গল্প কবিতা পোস্ট করতাম। এখনো মাঝে মধ্যে সময় পাইলে পোস্ট করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে অনেকে আমাকে ভুলেই গেছে, এখন আর কেউ আমার কবিতা গল্প কিছু পড়ে না। আমার করা গল্প বা কবিতার পোস্টে এখন আর কেউ মন্তব্য করে না। একজনের একটা লেখা লিখলে যদি সেটার মধ্যে গঠনমূল্য আলোচনা না হয় মন্তব্য না করা হয় তাহলে তো একজন লেখক লেখা প্রকাশের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তাই নয় কি?
”লেখা” হল একটি আদিম মন ভালো রাখার মানসিক প্রক্রিয়া , কেউ ভালো বলবে বা কেউ লেখা নিয়ে হৈ চৈ করবে তার উপর নির্ভর করে কি এই সাধনা ?
“লেখা” — মনকে ভালো রাখার এক আদিম মানসিক সাধনা, মানুষ যখন প্রথম নিজের অনুভূতিকে ভাষায় রূপ দিতে শিখল, তখন থেকেই “লেখা” শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম রইল না—এটি হয়ে উঠল এক গভীর মানসিক প্রক্রিয়া। “লেখা” আসলে মনের ভেতরের অস্থিরতা, আনন্দ, বেদনা, প্রশ্ন ও উত্তরকে একত্রে ধরে রাখার এক আদিম উপায়। আমরা যখন লিখি, তখন আমরা কেবল শব্দ সাজাই না—আমরা নিজের সঙ্গে কথা বলি। প্রশ্নটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ—এই লেখার সাধনা কি অন্যের প্রশংসা বা সমালোচনার উপর নির্ভর করে? অনেকেই মনে করেন, কেউ ভালো বললে তবেই লেখা সার্থক, কেউ হৈচৈ করলে তবেই তা মূল্যবান। কিন্তু এই ধারণাটি আসলে লেখার প্রকৃত উদ্দেশ্যকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। কারণ, লেখার মূল উৎস বাইরের প্রতিক্রিয়া নয়, ভেতরের তাগিদ। লেখা এক ধরনের মানসিক পরিশুদ্ধি। যেমন কেউ গান গায় মন হালকা করার জন্য, কেউ ছবি আঁকে, তেমনি কেউ লেখে। এখানে “সাধনা” শব্দটি খুবই প্রাসঙ্গিক। সাধনা মানে ধৈর্য, একাগ্রতা, এবং নিজের ভেতরের সত্যকে খুঁজে পাওয়া। এই সাধনা কখনোই জনসম্মুখের করতালি বা সমালোচনার উপর নির্ভর করে না। যদি লেখা শুধুমাত্র প্রশংসা পাওয়ার জন্য হয়, তাহলে তা খুব সহজেই ভেঙে পড়ে। কারণ, মানুষের মতামত পরিবর্তনশীল। আজ যা ভালো লাগে, কাল তা নাও লাগতে পারে। তাহলে কি লেখকের মনও সেই সঙ্গে দোল খাবে? যদি তাই হয়, তবে লেখার স্থায়িত্ব কোথায়? অন্যদিকে, যখন লেখা নিজের মনের ভার কমানোর জন্য, নিজের অভিজ্ঞতাকে বুঝে ওঠার জন্য, তখন তা এক গভীর আত্ম-অন্বেষণ হয়ে ওঠে। তখন কেউ পড়ুক বা না পড়ুক, কেউ প্রশংসা করুক বা সমালোচনা করুক—লেখার মূল্য অটুট থাকে। তবে এর মানে এই নয় যে পাঠকের প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। প্রতিক্রিয়া আমাদের উন্নত হতে সাহায্য করে, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। কিন্তু সেটি হওয়া উচিত সহায়ক, নিয়ন্ত্রণকারী নয়। লেখা আসলে এক নীরব যাত্রা—নিজের ভেতরের জগতে প্রবেশ করার পথ। এই যাত্রায় বাইরের শব্দ থাকতেই পারে, কিন্তু পথচলার দিশা নির্ধারণ করে আমাদের নিজের মন। তাই বলা যায়, “লেখা” একটি আদিম মানসিক প্রক্রিয়া, যা আমাদের মনকে ভালো রাখে, আমাদের ভেতরের অন্ধকারকে আলোর মুখ দেখায়। এই সাধনা কখনোই অন্যের প্রশংসা বা হৈচৈয়ের উপর নির্ভর করে না; এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, গভীর এবং অন্তর্মুখী এক সাধনা। শেষ কথা—লেখো, কারণ তোমার মন তা চায়। না যে, কেউ তোমাকে বলবে “ভালো লিখেছো”।
ধন্যবাদ এমন নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ঠিক সময়ে ঠিক কথাটা বলার জন্য। সঙ্গে একটি অনুরোধ। ইনস্টাগ্রাম থেকেও যাতে পেজটিকে ফলো করা যায়, তার ব্যবস্থা করলে পেজটি খুঁজতে সুবিধা হয়।
অসাধারণ আয়োজন
ভালোবাসা এ এক নেশা রাতের ঘুম যায় মোবাইল দেখে , প্রাণ প্রিয় মানুষটার মোবাইল এসএমএস এই বুঝি আসে , রাত শেষ ভোর হলে মনে বড়ো আশা , সুপ্রভাত এস এম এস এলো এই নাকি , ঘুম ভেঙে তারাতারি মোবাইল দেখি। হাই রে ভালোবাসা এ কেমন নেশা মন টা হয় গেছে মোবাইলের পোকা। ফেসবুক ইউটিউবে দিন টা বেশ কাটে রাত কাটে এস এম এস প্রানপ্রিয়োর সাথে। ভালো ভাবেই কেটে যায় শরীর না দেখি, মাথা ব্যাথা অনুভবে ডাক্তার বাড়ি ছুটি। নানা রকম টেস্ট করে এখন আমি বুঝি চোখ টাই গেলো আমার মোবাইল দেখে।। কলমে শ্রী বিজয় দত্ত
ভালো বাসা মায়ার খেলা
Bb
প্রথম কবিতা পোস্ট করলাম
আমি আজকে সংযুক্ত হলাম। বসন্ত এসে গেছে এই থিমের উপরে একটা লেখা সহ।
Amr lekha porben
@উৎপল সরকার – https://www.facebook.com/share/v/1DZLnXnHUi/
মাশাআল্লাহ চমৎকার আয়োজন। অহর্নিশ শুভকামনা রইলো।
লেখাগুলো পাঠকগণ যাতে সহজ উপায়ে পড়তে পারে তার ব্যবস্থা করুণ। নাম সার্চ করে কেউ পড়তে চাইবে না। তারিখ অনুসারে সব লেখাগুলো পরপর পড়ার সুযোগ করে দিলে খুব ভালো হয়।
@Biswajit Manik – https://articleandstories.com/post/
Right
Ami ajker post delete korte chi
নিশ্চয়ই আপনাকে এই বিষয়ে সাহায্য করা হবে । আমাদের একটু সময় দিন প্লিজ ।
আমার লেখা পড়ে মতামত জানানোর অনুরোধ রইল
সাহিত্য বন্ধুদের জন্য শুভ উদ্যোগ
শুভেচ্ছা জানাই ।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা🍁
কবিতা
Thanks
এখানে লিখে পয়সা মেলে?
@Guest – না । সেরকম কোনো ব্যবস্থা নেই ।
আমার পরবর্তী লেখা পাচ্ছি না
@Swapna Majumder – কবে লেখা পোস্ট করেছেন ? Date টা উল্লেখ করুন ।
@Swapna Majumder – https://articleandstories.com/swapna-majumder/
আমরা আপনার তিনটি লেখা দেখতে পাচ্ছি । ০৫/০১/২০২৬, ১২/০১/২০২৬, ১২/০১/২০২৬
শুভেচ্ছা জানবেন । আমি আজকে এখানে সংযুক্ত হয়েছি । ইতিমধ্যে আমার তিন-চারটি কবিতা ও অনুবাদ কবিতা এখানে প্রকাশিত হয়েছে । সত্যিই ভালো লাগছে । কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ । তবে, প্রকাশিত পোস্টটিতে সম্পাদনা করা কিংবা এটিকে মুছে ফেলার কোনো সুযোগ নেই বিধায় আমার কাছে এটি অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছে । আশা করি, কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টির দিকে নজর দিবেন । তবে, লেখা প্রকাশের জন্য এটি একটি চমৎকার প্রচার মাধ্যম । শুভরাত্রি!
ধন্যবাদ । নিরন্তর শুভকামনা ।
@Muhammad Ashraful Alam Sohel – পোস্টটিকে সম্পাদনা করা কিংবা এটিকে মুছে ফেলার জন্য Login হতে হবে । তার জন্য Password এবং User Id create করতে হবে । এতটা সময় কি সবার হাতে থাকে ।
আমার লেখা শিশির কণা গল্পটি পড়ে মতামত জানানোর অনুরোধ রইল
আসসালামু আলাইকুম