লেখা! হ্যাঁ, চাইলেই এখন টকটক করে কি- প্যাডে আঙুল চালিয়ে যা খুশি একটা ভাবনা উড়িয়ে দিতেই পারি। আরে, আমার ভাবনা আমি উড়িয়ে দিলাম, তাতে কার কী! আমার ভাবনা তো আর কারোর মাথায় ডাণ্ডা মেরে ঠাণ্ডা করতে যাচ্ছে না! সুতরাং.. উড়িয়ে দিতেই পারি! স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। রাজার জুতো ধরে শুধু না টানলেই হল! ব্যস। দায়িত্ব শেষ, হাতও ঝাড়া, কী বলেন আপনি?
দাঁড়ান! ✋ আরে, আপনি নয়, আপনি নয়! আমি নিজেকে নিজেই বলছি। দায়িত্ব শেষ? স্ট্রেঞ্জ! আপনি আচ্ছা লোক তো মশাই! জন্ম থেকে কবি,লেখক, সাহিত্যিক – সব সত্তা আপনার মধ্যে গিজগিজ করছে, আর ‘ শিক্ষক’ সত্তা আস্তাকুঁড়ে! সে যে যাই ঘুষটুস দিয়ে যাই হোক না কেন- মূল ‘শিক্ষা’ তো কষ্টিপাথর, সোনা তো তাকে যাচাই করে না এ ঘোর কলিতেও, মান খোয়ালেও জাত খোয়াতে পারেনি এ অন্ধকার যুগেও। তাই বলছিলাম কি, ‘শিক্ষক’ সত্তা থেকে জাগরণ হেতু শব্দের প্রতি, বকলমে সমাজের মানুষের প্রতি দায় তো থেকেই যায় একটা, না কি! শুধু টকটক করে কি- প্যাডে আঙুল ঠোকা নয়, বানানের প্রতি যত্ন না নিলে যারা অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করীতে পিএইচডি আমার মতো, তেনারা আরও খাদে পড়ে ক্ষতবিক্ষত হবেন! তাই, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রেখেই না হয়-আমাদের ‘স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক’ সত্তাকে আরও সংশ্লেষিত করি!😊🙏
শুধু মাত্র ভালো লেখা বললেও দায় এড়িয়ে যাওয়া হবে। তাই সরাসরি বলি, এটি ঠিক এবং সময়োচিত লেখা। শুধু ভালো নয়, এটা ঠিক লেখা। কারণ ভালো এবং ঠিক সব সময়ে একই অর্থ বহন করে না। সব ভালো ঠিক নয়, আবার সব ঠিক ভালো লাগে না। তাই এ লেখা সময়োপযোগী শুধু নয়। সময়োচিত।
ধন্যবাদ স্যর। আপনার ইতিবাচক উপস্থিতি এবং পর্যালোচনা আমাকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করলো। 🙏💐
একটি ভালো লেখা পড়লাম ।